সুভাষ ঘোষ সম্পর্কে তাঁর এক চাকরের বিবৃতি। তিনি জানেন না যে সুভাষ ঘোষ ২রা সেপ্টেম্বর ১৯৬৪ মুচলেকা লিখে দিয়েছিলেন । সুভাষের জেল হয়নি । সুভাষ মলয় রায়চৌধুরীর বিরুদ্ধে রাজসাক্ষী ছিলেন।

Snehashis Ray writes

ভাষাকে যে আক্রমন করে সেই বাঁচায়’-কমলকুমার মজুমদার

অধিকাংশ লেখক ক্ষমতার ভাষায় লেখালিখি করে৷কারণ তাতে রিস্ক নেই,ডিক্লাসড হতে হয় না,পুরস্কার, প্রতিষ্ঠান,খ্যাতির আলোকবৃত্তে থাকা যায়৷যারা ভাষাকে আক্রমন করে,ভাষাকে বহন না করে বাহন করে ক্ষমতার ভাষায় যারা নিয়তিনির্দিষ্ট নয়,সমাজ তাদের ক্রমে প্রান্তের দিকে ঠেলতে ঠেলতে কোনঠাসা করে দেয় সুভাষ ঘোষ সেইধরণের গদ্যকার,যিনি হাংরি আন্দোলনকে কেবল ‘মজা’ ভাবেননি,হাংরি চেতনায় জারিত হয়ে আজীবন ক্ষুধার্ত আত্মার আত্মীয়৷সুভাষ পড়তে গেলে ‘ধক’ লাগে৷

প্রতিষ্ঠানের গায়ে ফোস্কা পড়ায়’আমার চাবি'(হাংরি জেনারেশনের প্রথম গদ্যগ্রন্থ)র জন্য ১৯৬৪ সালের ২রা সেপ্টেম্বর তাঁর জেল হয়,মলয় ‘hungry genaration is dead’ বলে পাটনায় প্রতিষ্ঠানিক(বলে কিনা প্রতিষ্ঠান বিরোধী,ফেসবুকে যার ১০০০০ বন্ধু,আচ্ছা ফেসবুকটা প্রতিষ্ঠান নয়!) চাকরি নিয়ে চলে যায়,শৈলেশ্বর,সুভাষ মূলত হাংরি চেতনা ‘ক্ষুধার্ত’ নামে দীর্ঘ আড়াই দশক বয়ে নিয়ে যায়,’ক্ষুধার্ত’র সাতটি সংখ্যা প্রকাশিত হয়৷ক্রম জনপ্রিয়তা দেখে মলয়খ্যাতিকামী ফিরে এসে দাবী করে সেই হাংরির জনকপিতা,অথচ টাইম ম্যাগাজিনে স্রষ্টা হিসাবে আত্মপ্রতিষ্ঠাকামী,মিথ্যার মিথসৃষ্টিকারী শক্তির নাম আছে

 

The court sentence for the Prochondo Boidyutik Chhutar

The court sentence for the Prochondo Boidyutik Chhutar

Advertisements

About Hungryalist Archive

Keep reading and get enlightened
This entry was posted in সুভাষ ঘোষ, Hungryalism, Hungryalist trial and tagged , , , . Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s